Select Page

অবহলেতি সন্দ্বীপ

ফারহানা ইয়াসমিন রীমা

সন্দ্বীপ আমার জন্মস্থান। এই সন্দ্বীপে কটেছেে আমার দুরন্ত শশৈব কশৈর তারুণ্য। বাংলাদশেরে দক্ষনি র্পূব উপকুলে অবস্থতি একটি দ্বীপ,এটি বঙ্গোপসাগড়রে উত্তর র্পূব কোনে মঘেনা নদীর মোহনায় অবস্থতি। লোক সংখ্যা প্রায় চার লক্ষ। পঞ্চদশ শতাব্দতিে সন্দ্বীপরে আয়তন প্রায় ৬৩০ র্বগম্্্্্্্্্্্্্ইালরে হলে ও ক্রমাগত নদী ভাঙ্গনরে কারণে র্বতমানে এটি মাত্র ৮০ র্বগ মাইলরে ক্ষুদ্র দ্বীপ।৭৬২.৪২ র্বগ কলিোমটিার আয়তনরে এই উপজলোয় র্বতমানে রয়ছেে ১৪ টি ইউনয়িন। সংসদীয় আসন ২৯৩ চট্টগ্রাম ৩। ১৯৫৪ সালরে র্পূব র্পযন্ত সন্দ্বীপ নোয়াখালী জলোর অন্তর্ভ’ক্ত ছলি, পরর্বতীতে একে চট্টগ্রাম জলোর অন্তর্ভ’ক্ত করা হয়। ১৯৮৪ সালে সন্দ্বীপ থানাকে উপজলোয় রুপান্তর করা হয়।
ইউরোপয়ি ইতহিাস থকেে জানা যায় যে সন্দ্বীপে প্রায় তনি হাজার বছররে অধকিকাল ধরে লোকবসতি বদ্যিমান। এক সময় নাকি সন্দ¦ীপরে জাহাজ নর্মিান শল্পি,লবন শল্পি ও বস্ত্র শল্পি পৃথবিী খ্যাত ছলি। একটা সময় নাকি সন্দ্বীপে হলেকিপ্টার র্সাভসি ছলি,্ ছলি হলেপ্যিাড ও, কন্তিু কালরে আর্বতে হারয়িে গছেে সইে ্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্ঐতহ্যি হয়তো বা কারো অবহলোয়।

সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামলা কথাটা একটা সময় সন্দ্বীপরে মানুষরে জন্য প্রযোজ্য ছলি। এখন আর সে সৌর্ন্দয অবলোকন হয় না, কারণ এখন আর সভোবে চাষাবাদ হয়না সন্দ্বীপ।ে ফসলী জমগিুলো খালি পড়ে থাক।ে গ্রামরে উঠোনগুলোতে এখন আর ফসল মাড়াইয়রে ধুম চলে না ।
সকলরে মাঝে ছলি সহজ সরল গ্রাম্য সারল্যতা। মানুষরে মাঝে ছলি ভাতৃত্বরে বন্ধন, বপিদে আপদে ছুটে যতে একে অপররে দুয়ার।ে ছলি সুষ্ঠু রাজনীতরি র্চচা। ছলি নর্ভিয়ে নশ্চিন্তিে পথ চলার নশ্চিয়তা। ছয় ঋতুর প্রতটিা সৌর্ন্দয আমরা উপভোগ করতাম। আর এখন কমেন জানি ঋতুগলো ও আগরে মত উপভোগ্য নয় । অন্ধকার উঠোনে জোনাকি পোকার আলো ছড়ানোর দৃষ্টনিন্দন দৃশ্য আমরা উপভোগ করছে,ি কন্তিু র্বতমানরে এরা হয়তো সভোবে উপভোগ করতে পারছে না। প্রযুক্তরি আধুনকিায়নরে সাথে সাথে মনে হচ্ছে যনে হারয়িে যাচ্ছে সইে সারল্যতা, সইে আন্তরকিতা।

সন্দ্বীপরে যাতায়াত ব্যবস্থার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নদী পথ। প্রতনিয়িত জীবনরে ঝুঁকি নয়িে সন্দ্বীপবাসীকে নদী পাড় হতে হয়। আগে তো হয়ন,ি স¦াধীনতার ৪৮ বছরে ও হয়নি নরিাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা। সন্দ্বীপরে অধকিাংশ মানুষ প্রবাসী। প্রবাসীদরে পাঠানো টাকার রমেটিন্সেে সরকারী কোষাগাররে একটা অংশ র্পূণ হয়, কন্তিু দুঃখরে এবং আর্শ্চাযরে বষিয় এই য,ে সইে রমেটিন্সে যোদ্ধাদরে প্রতি সরকার ও উদাসীন । সইে রমেটিন্সে যোদ্ধারা ও প্রতনিয়িত জীবনরে ঝুঁকি নয়িে র্দুবসিহ অভজ্ঞিতা নয়িে তাদরে আপন জনরে কাছে যতেে হয়। র্বষায় নদী থাকে প্রচন্ড উত্তাল। অনকে সময় জরুরী অবস্থায় অসুস্থ রোগদিরে চট্টগ্রাম আনতে হয়, বশিষে করে প্রসুতি মা দরে নয়িে বপিাকে পড়তে হয় বশে।ি কন্তিু ! কনে ?! আমরা কি পতেে পারি না একটা নরিাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা ? এটা কি সন্দ্বীপ বাসীর অনকে বড় চাওয়া ? অন্যায্য দাবী ? কত সাংসদ এলো গলেো কউে নজিরে অধকিারটা আদায় করে নতিে পারলো না, এবং জাননিা আদৌ পারবে কনিা !!

র্সবক্ষত্রেে সন্দ্বীপবাসীর সাথে প্রহসন করা হয়। সরকারী হাসপাতাল আছে ঠকিই কন্তিু সখোনে থাকনো বশিষেজ্ঞ চকিৎিসক। হাসপাতালরে সটিগুলো খালি পড়ে থাক।ে র্বষা মৌসুমে চারদকিে পানি থইথই করে , বাড়ে সাপরে উপদ্রব, অনকে মানুষ সাপরে কামড়রে স্বীকার হয়, কন্তিু সন্দ্বীপরে সরকারী হাসপাতালে থাকে না সাপরে কামড়রে বক্সেনি , যার ফলশ্রুততিে সাপরে কামড়রে রোগি নয়িে ছুটতে হয় গ্রাম্য ওঝা ও কবরিাজরে কাছে যার ফলাফল নশ্চিতি মৃত্যু। আজ র্পযন্ত দখেলাম না ভালো একজন চকিসিৎসক বা ভালো একজন শক্ষিক সরকারীভাবে সন্দ্বীপ পাঠাতে অথচ কোন প্রশাসনকি অপরাধীকে অপরাধরে শ্বাস্তি স্বরুপ সন্দ্বীপ বদলি করা হয়। বুঝলাম না এ কমেন রসকিতা সন্দ্বীপবাসীর সাথ।ে এটা রীতমিত অপমান করা সন্দ্বীপবাসীক।ে সন্দ্বীপ কোন কারাগার নয় যে কোন অপরাধীকে শ্বাস্তস্বিরুপ ওখানে পাঠাতে হব।ে এই প্রহসনরে র্সবশষে ঘটনা যৌন নপিীড়নরে দায়ে অভযিুক্ত বন্দিুবাসনিি স্কুলরে শক্ষিক এস এম সাইদুর রহমান বাবুল। এ কমেন রসকিতা সন্দ্বীপবাসীর সাথে !! সন্দ্বীপরে ময়েদেরে কি সম্মান নইে ? আমি একজন সন্দ্বীপবাসী হসিবেে এসব প্রহসনরে তীব্র নন্দিা জানাচ্ছ।ি

প্রশাসনরে সহায়তায় সন্দ্বীপরে ভুমি অন্যরা দখল করে নয়িে যায়। রুহঙ্গিাদরে জন্য সন্দ্বীপরে জগেে উঠা ভুমতিে পুর্নবাসন কন্দ্রে নর্মিাণ করা হয়। এগুলো কি সন্দ্বীপবাসীর সাথে অবচিার না ? সরকারী এবং প্রশাসনকি ক্ষত্রেে তো আছইে ! এমন কি সন্দ্বীপদিরে মধ্যে ও আছে সন্দ্বীপরে প্রতি বরিুপ আচরণ করার মত লোক। প্রশাসনকি উচ্চ র্পযায় থকেে শুরু করে বদিশেে ও উচ্চ র্পযায়ে আছে অনকে সন্দ্বীপ।ি তারা ও যদি সন্দ্বীপরে প্রতি একটু সুদৃষ্টি দতি তাহলে ও বদলে যতে সন্দ্বীপরে রুপ। এমন কি তাদরে কউে কউে নাকি সন্দ্বীপি হসিবেে পরচিয় দতিে ও লজ্জাবোধ কর।ে সত্যি বলতে কি তাদরে সম্বন্ধে মন্তব্য করতে ও রুচতিে বাধ।ে

র্বতমানে সন্দ্বীপরে সবচয়েে গুরুত্বর্পুণ যে বষিয়টা তা হলো একটা নরিাপদ একটা যাতায়াত ব্যবস্থা, যা অতীব জরুরী হয়ে পড়ছে।ে আর কতকাল রমেটিন্সে যোদ্ধারা সহ সকল সন্দ্বীপবাসী এ বপিদ সঙ্কুলান পথ পাড়ি দবিে !! একটা নরিাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা সকল সন্দ্বীপবাসীর প্রাণরে দাবী। আশা করছি কতৃপক্ষ বষিয়টার দকিে সুদৃষ্টি দবিনে।
শত অবহলোয় অবহলেতি সন্দ্বীপরে র্বতমান যে সফলতা তা হলো সাবমরেনিরে মাধ্যমে বদ্যিুত পৌঁছানো। তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বদ্যিুত প্রতমিন্ত্রী ও র্বতমান সাংসদ অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার। এই প্রথম সন্দ্বীপরে মানুষ জাতীয় গ্রীড থকেে বদ্যিুত পয়েছে,ে আলোকতি হয়ছেে সন্দ্বীপরে জনপদ। তরৈী হবে মলি কারখানা,পোল্ট্রি র্ফাম সহ অন্যান্য স্থাপনা। বাড়বে র্কম সংস্থান, ঘুচবে বকোরত্ব। আশা করছি আস্তে আস্তে আলোকতি হবে পুরো সন্দ্বীপ।
আলো এসছে,ে অন্ধকার ঘুচছেে । আগামীর শ্লোগান হোক নরিাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা। নরিাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা নশ্চিতি হলে অনকেখানি এগয়িে যাবে সন্দ্বীপ। র্পযটন কন্দ্রে গড়ে উঠার মত যথষ্টে সম্ভাবনা আছে সন্দ্বীপ,ে কনেনা সন্দ্বীপরে চারদকিে রয়ছেে দৃষ্টনিন্দন সৌর্ন্দয। প্রয়োজন শুধু একটা নরিাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা । আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল সন্দ্বীপবাসীর এ প্রাণরে দাবীর প্রতি সদয় হবনে।

Previous

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *